তুরস্ক ও গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আট শতাধিক। বিধ্বস্ত ভবনের নিচে এখনো নিখোঁজ রয়েছে অজ্ঞাত সংখ্যক।
রিখটার স্কেলে সাত মাত্রার ওই ভূমিকম্প শুক্রবার তুরস্কের পশ্চিম উপকূলে অ্যাজিয়ান সাগরে আঘাত হানে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের শক্তি ছিল রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার।
তবে তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (এএফএডি) বলেছে, হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৬।
গ্রিনিচ সময় ১১টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। গ্রিসের সামোস দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
আলজাজিরা জানায়, ভূমিকম্পের পর ‘মিনি সুনামি’র সৃষ্টি হয়। ভূমিকম্পে তুরস্কের ইজমির শহরে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়ার পর সুনামিতে সড়কে পানিও উঠে যায়।
সিএনএন তুর্ক জানায়, ইজমির শহরে কমপক্ষে ২০টি ভবন ধসে পড়ে। তুরস্কের তৃতীয় বৃহত্তম এই শহরে ৪৫ লাখ মানুষের বসবাস। অবশ্য এই শহরে ছয়টি ভবন বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তুরস্ক এখন পর্যন্ত ২২ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আহত হয়েছে ৮০০ জন। অন্যদিকে গ্রিসের সামোস দ্বীপে বাড়ির ছাদ ধসে দুই কিশোর-কিশোরী নিহত হয়।
এদিকে বিধ্বস্ত বাড়ি-ঘরের নিচে এখনো অজ্ঞাত সংখ্যক মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।