টি-টোয়েন্টি কাপে মাশরাফীকে নিয়ে অনিশ্চয়তা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসছে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট দিয়ে ক্রিকেটে ফিরতে চেয়েছিলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ নামের এই আসরে তার খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

মার্চে করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই ক্রিকেটের বাইরে মাশরাফী। সব শেষ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেছেন ১৬ মার্চ, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শেখ জামালের হয়ে। এক রাউন্ড পরই যে আসর স্থগিত হয়ে যায় মহামারির কারণে।

এরপর থেকে ক্রিকেটের বাইরে ছিল দেশের সব ক্রিকেটারই। অক্টোবরে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফেরে দেশে। তিন দলের সেই আসর ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে। যেটি সফলভাবে আয়োজনের পর টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজক করতে যাচ্ছে বিসিবি।

করপোরেট এই টুর্নামেন্টে দল হবে ৫টি। খেলোয়াড়দের অংশ গ্রহণও তাই বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের চেয়ে বেশি হবে। মাশরাফীও এই টুর্নামেন্ট দিয়েই ফেরার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। আর তাই ফিটনেস ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে মিরপুরের সিটি ক্লাব মাঠে রানিং ও ফুটবল খেলতে শুরু করেছিলেন।

কিন্তু গত ১৮ অক্টোবর রানিং করতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন মাশরাফী। বিসিবির ডাক্তার ও ফিজিওদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে স্ক্যান করাতে বলা হয়। কিন্তু মেয়ে হুমায়রা ও ছেলে সাহেল কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ায় ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন মাশরাফী। তাই স্ক্যান করাতেও পারছেন না।

এদিকে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ১৫ নভেম্বর। ফলে মাশরাফীর এই আসরে খেলা নিয়ে তৈরি হয়ে অনিশ্চয়তা। নির্বাচক হাবিবুল বাশার যেমন বলছিলেন, ‘ওর চোট কোন পর্যায়ের, তা স্ক্যান না করানো পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। আবার ও বাসা থেকেও বের হতে পারছে না। আমাদের তাই অপেক্ষা করতে হবে।’

বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘স্ক্যান করালে বোঝা যাবে ওর চোটটা কোন গ্রেডের এবং সে জন্য কত দিন বাইরে থাকতে হবে। আমি যত দূর জানি, ওর আইসোলেশন শেষ হবে ৭-৮ নভেম্বরের দিকে। এর আগে তাই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কিছুই।’

এখন ড্রাফটের আগে মাশরাফীর স্ক্যান রিপোর্ট পাওয়া না গেলে তাকে বাইরে রাখা হতে পারে। আবার স্ক্যান রিপোর্ট পেলেও তাকে ফিটনেস টেস্ট দিয়েই আসতে হবে। সব মিলে মাশরাফীর মাঠে ফেরার অপেক্ষা বাড়ে কিনা সেই শঙ্কাই তৈরি হয়েছে।