আফগানিস্তানে কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীদের তাণ্ডবে নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে। আলজাজিরার খবর।
সোমবার ক্যাম্পাসে ইরানি বইমেলা উদ্বোধনের আগে এ ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে বলে বিবিসি জানায়।
আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তারিক আরিয়ান বলেন, বেশ কয়েকজন বন্দুকধারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে এবং শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।
তিনি বলেন, ‘কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলাকারীরা আফগানিস্তানের শত্রু, শিক্ষা ব্যবস্থার শত্রু।’
এদিকে ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আইএস এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। যদিও আফগানিস্তানের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এ হামলার পেছনে তালেবানকে দায়ী করেন। তবে সশস্ত্র সংগঠনটি বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে।
একটি বিস্ফোরণের পর কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বন্দুক হামলা শুরু হয়। ফাতুল্লাহ মোরাদি নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, যে শিক্ষার্থীকে দেখেছে তাকেই গুলি করেছে বন্দুকধারীরা।
এক দল শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গেইট দিয়ে প্রাণে পালিয়ে বাঁচেন তিনি।
ফারিদুন আহমাদি নামে এক শিক্ষার্থী জানান, ‘ক্লাসরুমে আমরা পড়ছিলাম, সেসময় ক্যাম্পাসের ভেতরে আচমকা গুলির শব্দ শুনি। সেসময় অনেক শিক্ষার্থী পালিয়ে বাঁচে। সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল তখন।’
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আয়োজিত ইরানি বইমেলার উদ্বোধনের আগে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানায়, ৪০টির মতো ইরানি প্রকাশনী সংস্থা নিয়ে রবিবারের ওই বইমেলা উদ্বোধনে অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল আফগানিস্তানে ইরানি রাষ্ট্রদূত বাহাদুর আমিনিয়ান এবং কালচারাল অ্যাটাচে মুজতবা নুরুজি।