নাঈম-মৃত্যুঞ্জয়কে ছাপিয়ে সুমন

স্কোরশিটে লেখা দু’দিনের ম্যাচটি ড্র। কিন্তু নানা বিবেচনায় বিসিবি হাই পারফরম্যান্স টিমকে (এইচপি) দু’ভাগে ভাগ করে খেলা ম্যাচে আফিফ হোসেন ধ্রুবর ‘টিম এ’কে নাঈম শেখের ‘টিম বি’র বিপক্ষে বিজয়ী ধরে নেওয়াই যায়। প্রথম দিনে ৮০ ওভারে ৭ উইকেটে ৪০৬ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল আফিফের দল। আর গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তাদের বোলাররা নাঈমের দলকে অলআউট করে দেয় ৮০ ওভারে ২৬৬ রানে।

প্রথম দিন আকবর আলী, শাহাদাত হোসেন দিপু, শামিম পাটোয়ারির ব্যাটিং আলো ছড়িয়েছিল। দ্বিতীয় দিন তাদের ডানহাতি ফাস্ট বোলার সুমন খান দেখালেন ধারাবাহিকতা। ১৬ ওভারে ৫৪ রানে ৪ উইকেট তার। তবে ৭ নম্বর বোলার হিসেবে বল হাতে নিয়ে ১৯ বছর বয়সী বিশ্বকাপজয়ী বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ এদিন সবচেয়ে সফল বোলার। ১২ ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট তার। ব্যাটিংয়ে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে ব্যর্থ জাতীয় দলের ওপেনার নাঈম শেখ সবার ওপরে এদিন। ১২৯ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় ৮৩ রানের ইনিংস খেলে হাসানের শিকার হয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৮ রান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর। প্রেসিডেন্টস কাপে প্রতিভার প্রমাণ দেওয়া তৌহিদ হৃদয়ের খাতায় যোগ হয়েছে ৪২ রান। এর বাইরে আরেক যুবা বিশ্বকাপজয়ী ১৮ বছরের বাঁহাতি ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের ৩৫ উল্লেখযোগ্য। নাঈমের দলের জন্য দুঃখের ব্যাপার এই যে, ওই চারজন ছাড়া বাকি সবার নামের পাশে সিঙ্গেল ডিজিট। রানের সংখ্যাগুলো ৬, ৫, ৮, ০, ১, অপরাজিত ১ ও ২।

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে আগুন বোলিংয়ে ৩৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন সুমন। এ নিয়ে শেষ চার ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ১৩।

দ্বিতীয় দিনের সংক্ষিপ্ত স্কোর

আফিফ একাদশ প্রথম ইনিংস : ৪০৬/৭ ডিক্লে.। নাঈম একাদশ প্রথম ইনিংস : ২৬৬ (৮০ ওভার), (নাঈম ৮৩, ইমন ৩৫, অঙ্কন ৬, হৃদয় ৪২, মৃত্যুঞ্জয় ৫৮, রিশাদ ৫, তানভির ৮, শরিফুল ০, রেজাউর ১, নোমান অপরাজিত ১, শাহিন অপরাজিত ২; মুকিদুল ৮-২-১৮-০, সুমন ১৬-৩-৫৪-৪, শফিকুল ১২-২-৪৩-১, শামিম ৫-০-১৭-০, আফিফ ১১-৫-১৬-০, রাকিবুল ১২-১-৫১-১, হাসান ১২-৪-৩৫-৪, দিপু ৩-০-১০-০, জয় ১-০-২-০)। ফল : ম্যাচ ড্র।