যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের উত্তেজনায় ধাক্কা লেগেছে চীনের অর্থনীতিতে। গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বেশি পতন ঘটেছে চীনা মুদ্রা ইউয়ানের।
চরম হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীই জয়ের দাবি করেছেন। এর মধ্যে ডেমোক্র্যাটের বিরুদ্ধে ভোট চুরির প্রচেষ্টার অভিযোগ এনেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর জো বাইডেনের বক্তব্য, পরাজয়ের লজ্জা এড়াতে আদালতে যাওয়ার কথা বলেছেন ট্রাম্প
সিএনএন জানায়, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল পেতে আরও সময় লাগলেও ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থেকে চীনা অর্থনীতিতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের মান ১.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ২০১৮ সালের পর ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের এটিই সবচেয়ে বড় পতন।
ডলারের বিপরীতে অফশোরে ইউয়ানের সর্বশেষ পতন ছিল ০.৭ শতাংশ বা প্রতি ডলারে ৬.৭ ইউয়ান।
মিজুহো ব্যাংকের চিফ ফরেইন এক্সচেঞ্জ ফর এশিয়া কেন চেং বলেন, ‘চীন-মার্কিন উত্তেজনার জেরে চীনা মার্কেটের গতিবিধি মার্কিন নির্বাচনের ফলাফলের উপর নির্ভর করে।’
তার মতে, ট্রাম্পের পুনরায় জয় মানে হচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট এজেন্ডা এবং সুরক্ষা নীতিকে এগিয়ে নেয়া।
গত চার বছরে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনায় কাটে মার্কিন-চীন সম্পর্ক। বাণিজ্য যুদ্ধের পাশাপাশি হংকং ও তাইওয়ান ইস্যু, দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য এবং করোনা নিয়ে দোষারোপে লিপ্ত ছিল বেইজিং-ওয়াশিংটন।
বরাবরই মার্কিন নিরাপত্তার প্রশ্নে এসব ইস্যুতে বেইজিংয়ের দিকে তোপ দেগেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে মার্কিন নির্বাচনে প্রথম দিকে পাওয়া অঙ্গরাজ্যের ইলেক্টোরালগুলোতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন।
ফক্স নিউজ জানিয়েছে, পঞ্চাশটি অঙ্গরাজ্যের বেশির ভাগ ফলাফলে দেখা গেছে ৪৫১ টি ইলেক্টোরালের মধ্যে ২৩৮ টি গেছে বাইডেনের ঘরে, ২১৩ টি পেয়েছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজের জন্য লড়েছেন প্রার্থী দু’জন। জয় পেতে দরকার দুই-তৃতীয়াংশ ইলেক্টোরাল, অর্থাৎ ২৭০টি।