যশোরের চৌগাছা উপজেলার দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামে নিজ ধানখেত থেকে পিকুল হোসেন (৩০) নামে এক কৃষকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর মরদেহটি ধানখেতে রেখে যায়।
নিহত পিকুল উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হচ্ছে- একই গ্রামের বদিউজ্জামানের দুই ছেলে শরিফুল ও আরিফুল এবং খোকনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন।
নিহতের বাবা সাখাওয়াত হোসেন জানান, রবিবার দুপুরের খাবার খেয়ে তার ছেলে বাড়ি থেকে ধানের খেতে কাজ করতে যায়। এরপর সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় তাকে তারা খোঁজ করতে শুরু করে। একপর্যায়ে রাত ১০ টার দিকে মাঠে গিয়ে ধানখেতে বিচালি দিয়ে ঢেকে রাখা পিকুলের লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা হত্যা মামলা করেছেন। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রাতেই শরিফুল ও আরিফুল নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন প্রতিবেশী শরিফুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে নিহত পিকুলের কথা-কাটাকাটি হয়। ছাগলে ধান খাওয়া নিয়ে মূলত এই গোলযোগের সূত্রপাত। দিনের বেলায় কথা-কাটাকাটি হয় আর রাতে নির্মম হত্যার শিকার হয়।