রিজভীর হার্ট অ্যাটাকের ফলে অনেক সেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: চিকিৎসক

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হার্টের এমপিআই টেস্ট করা হয়েছে। অ্যাটাকের পর তার হার্টের সেল কতটা কার্যকর তা জানার জন্য বুধবার রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালের নিউক্লিয়ার কার্ডিওলজি বিভাগে এ পরীক্ষা করা হয়।

এমপিআই টেস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউর চিকিৎসক ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু।

তিনি বলেন, রিজভীর হার্ট অ্যাটাকের ফলে অনেক সেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ল্যাব এইডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রফেসর ডা. সোহরাবুজ্জামানের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

রিজভীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, তার হার্টের ভায়াবিলিটি (কার্যক্ষমতা) দেখার জন্য এই এমপিআই টেস্ট করা হয়েছে।

এ সময় বিএসএমএমইউর চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. মোফাখখারুল রানা, ডা. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর ল্যাবএইড হাসপাতালে রিজভীর হার্টের এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়লে ইনজেকশনের মাধ্যমে সেটির ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ অপসারণ করা হয়। এরপর ২৭ অক্টোবর ল্যাবএইড হাসপাতালের হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সোহরাবুজ্জামানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। এ সময় তার ইকো কার্ডিওগ্রামও করা হয়।

শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় পরদিন ২৮ অক্টোবর রিজভীকে ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে শ্যামলীর আদাবরের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু বাসায় রিজভীর চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখেন। 

উল্লেখ্য গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শ্রমিক দলের মানববন্ধন শেষে দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার সময় রিজভীর হার্ট অ্যাটাক হয়।