রানাকে বাইরে রেখে নেপালের বিপক্ষে দল

নেপালের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুটি প্রীতি ম্যাচের চূড়ান্ত দলে রাখা হয়নি এক নম্বর গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানাকে। কোচ জেমি ডে বলছেন, তরুণদের পরখ করে দেখতেই রানাকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ দিয়েই করোনা বিরতির পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরবে জামাল ভূঁইয়ারা। দ্বিতীয় ম্যাচটি একই ভেন্যুতে মঙ্গলবার।

এর আগে বৃহস্পতিবার ২৩ জনের চূড়ান্ত দল ঘোষিত হয়। প্রাথমিক দলে থাকা চার গোলরক্ষকের মধ্যে বসুন্ধরা কিংসের আনিসুর রহমান জিকো ও আবাহনী লিমিটেডের শহীদুল আলম সোহেলকে রাখা হয়েছে চূড়ান্ত দলে।

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের রানা আর সাইফ স্পোর্টিংয়ের পাপ্পু হোসেনের জায়গা হয়নি।

রানাকে না রাখা প্রসঙ্গে জেমি ডে বলেন, ‘নেপালের বিপক্ষে জয় পাওয়ার দিকে আমাদের মূল মনোযোগ নয়। আমি জানি রানা কি করতে পারে। তাই আমি চাই, এই প্রীতি ম্যাচগুলোতে অন্যরা কি করে সেটা দেখতে। এ কারণে সে নেই।’

প্রাথমিক দলে ডাক পাওয়া ৩৬ ফুটবলারের মধ্যে মতিন মিয়া ও মাসুক মিয়া জনি আগে থেকেই যোগ দেননি ক্যাম্পে। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলাম চোটের জন্য ছিটকে যান। ফিনল্যান্ড প্রসাবী তারিক কাজীও চোটে পড়েন। সবশেষ আরিফুর রহমানের চোটের খবর এলো। তাই এদের কেউই নেই চূড়ান্ত দলে।

প্রাথমিক দল থেকে বাদ পড়ার তালিকায় রানা-পাপ্পু ছাড়াও আছেন- টুটুল হোসেন বাদশা, রায়হান হাসান, মনজুরুর রহমান মানিক, নাজমুল ইসলাম রাসেল, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

প্রথমবার প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েই চূড়ান্ত দলে সুযোগ করে নিয়েছেন উইঙ্গার বাবলু ও স্ট্রাইকার সুমন।

নেপালের বিপক্ষে ২৩ জনের দল:

আনিসুর রহমান জিকো (গোলরক্ষক), শহীদুল আলম সোহেল (গোলরক্ষক), তপু বর্মণ, ইয়াসিন খান, বিশ্বনাথ ঘোষ, সুশান্ত ত্রিপুরা, রহমত মিয়া, ইয়াসিন আরাফাত, আতিকুর রহমান ফাহাদ, রবিউল হাসান, বিপলু আহমেদ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সোহেল রানা, রিয়াদুল হাসান, জামাল ভূঁইয়া, মানিক হোসেন মোল্লা, রাকিব হোসেন, মাহবুবুর রহমান সুফিল, তৌহিদুল আলম সবুজ, সাদউদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন, এম এস বাবলু ও সুমন রেজা।