তিন কোটি ডোজ টিকা পেতে যে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ, তারা সামনের মাসেই জরুরি ভিত্তিতে টিকার অনুমোদন চাওয়ার পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন আনবে ভারতের এই কোম্পানিটি।
সেরামের সিইও আদর পুনাওয়ালা ভারতীয় গণমাধ্যম ডেকান হেরাল্ডকে বৃহস্পতিবার বলেছেন, প্রথম ধাপে যে ভ্যাকসিন আসবে তা ভারতে যাবে।
প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোকে কোম্পানিটি যে ভ্যাকসিন দেবে তা সামনের বছর ‘ফিফটি-ফিফটি’ শর্তে পাঠানো হবে। সেই হিসাবে বাংলাদেশে আসতে আসতে ফেব্রুয়ারি-মার্চ লেগে যেতে পারে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও নভেম্বরের শুরুতে এমন কথা বলেন। চুক্তির কথা জানানোর সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির দিকে আমরা পেতে পারি।’
সেরাম গত দুই মাসে ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। তৈরির প্রক্রিয়ায় এখন আরও গতি বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রতি ডোজ টিকার দাম পড়বে ৫ ডলার (৪২৫ টাকা)।
প্রত্যেকের দুই ডোজ করে টিকা লাগবে। সে হিসাবে বাংলাদেশ তিন কোটি ডোজ টিকা আনলে দেড় কোটি মানুষকে তা দেওয়া যাবে। একটি ডোজের ২৮ দিন পর আরেকটি ডোজ দিতে হবে।
যারা ব্যক্তিগতভাবে সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে বেক্সিমকোর মাধ্যমে টিকা নেবেন, সেই দাম আলাদা হবে।
ভিন্ন দেশে এর ট্রায়াল হয়েছে, কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এখনো দেখা যায়নি।
পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, গোটা পৃথিবীতে নভেল করোনাভাইরাসের টিকা পৌঁছে দিতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। সংক্রমণ কমতে লাগবে আরও দুই বছর।