এএসপি শিপন হত্যার প্রতিবাদে জাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মানববন্ধন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ আনিসুল করিম শিপন হত্যার প্রতিবাদ ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

গত ৯ নভেম্বর রাজধানীর আদাবরে  মাইন্ড এইড হাসপাতালে  চিকিৎসার জন্য গেলে হাসপাতাল কর্মীদের নির্যাতনে এএসপি শিপন মারা যান।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা জানান, চিকিৎসার নামে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি সারাদেশে যেসব অবৈধ হাসপাতাল রয়েছে, সেসবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

জাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সিনেট সদস্য মেহেদী জামিল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন সৈকত এতে বক্তব্য দেন।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন তুহিন রেজা, মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ, এসএম সাদাত হোসেন, চকর মালিথা, রাশেদ মেহেদী, আলমগীর স্বপন, কাজী জাকির হোসেন, জাহিদুর রহমান খান, এস এম নূরুজ্জামান, রেজাউল হক কৌশিক, রাশেদ রেজা ডিকেন

নাবিলা নুহাত চৈতি, গোলাম মুজতবা ধ্রুব, আয়েশা আক্তার ইতি,  ড.মো. শাহাদাত হোসেন, শেখ মো. নূরুজ্জামান ও  সৈয়দ মাহমুদ আলী রতন প্রমুখ।

হত্যাকাণ্ডের শিকার আনিসুল করিম শিপন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। ১৯৮৪ সালের ২১ নভেম্বর তিনি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

শিপন ঢাকা বোর্ডের অধীনে ২০০০ সালে এসএসসি ও ২০০২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে প্রাণরসায়নে এমএসসি সম্পন্ন করেন।

পরবর্তীতে ৩১তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে দ্বিতীয় স্থান পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন তিনি। চাকরিকালীন শিপন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাবসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।