১২ নভেম্বর কারা বাসে আগুন দিয়েছে তা বের করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের।
তিনি বলেছেন, সরকার বিএনপিকে দোষ দিচ্ছে আবার বিএনপি বলছে তারা দায়ী নয়। আগুনসন্ত্রাস মেনে নেওয়া যায় না। শনিবার দলের বনানী কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, কোনোমতেই দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেওয়া যাবে না। আগুনসন্ত্রাস প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের মানুষ চায় জাতীয় পার্টি আরও শক্তিশালী হয়ে মানুষের কল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণ করুক। দেশের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রথম বা দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে টিকে থাকতে চায়। জাতীয় পার্টি মানুষের প্রত্যাশা পূরণের সংগ্রাম এগিয়ে নিতে রাজনীতি করছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এখন সবাই অনুধাবন করছেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বাস্থ্যনীতি ও শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে এরশাদের সংস্কারমূলক কর্মকা-কে বিতর্কিত করতেই তাকে স্বৈরাচার বলা হয়েছে। দেশের মানুষ এখন উপলব্ধি করতে শুরু করেছে, এরশাদই প্রকৃত দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।
তিনি বলেন, ৯০ সালের পর তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সংবিধানে ৭০ ধারা সংযোজনের মাধ্যমে ৯০ সালের পর থেকে দেশে পরোক্ষভাবে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৭০ ধারার কারণে সংসদের কাছে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় না। আর জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র বা সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, মৎস্যজীবী পার্টির সভাপতি আজাহার সরকার, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাড. মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, এমরান হোসেন মিয়া, উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ড. নুরুল আজহার শামীম প্রমুখ।