স্বাধীনতার জন্য শওকত আলীর ভূমিকা ছিল অতুলনীয়: রাষ্ট্রপতি

স্বাধীনতার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) শওকত আলী যে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন তা অতুলনীয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত শওকত আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দেওয়া এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, “শওকত আলী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে আজীবন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে কাজ করে গেছেন। তিনি একজন সামরিক অফিসার হওয়া সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য যে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন তা অতুলনীয়।”

শওকত আলীর মৃত্যুতে দেশ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ যোদ্ধা এবং সমাজসেবক হারালো উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “শওকত আলীর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।”

রাষ্ট্রপতি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শওকত আলী মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

কিডনি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ ও নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন তিনি। এর আগে গত ৫ নভেম্বর থেকে একই হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

স্ত্রী মাজেদা শওকত আলী, দুই ছেলে ফিরোজ শওকত আলী, খালেদ শওকত আলী ও এক মেয়ে মেরিনা শওকতসহ নাতি-নাতনি ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন শওকত আলী।

শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লুংসিং গ্রামে মুন্সী বাড়িতে তার জন্ম। সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল শওকত আলী শরীয়তপুর-২ আসন থেকে ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি মুক্তি সংহতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং ৭১ ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা।