ধর্ষণের শিকার ৩ শিশু শিক্ষার্থী

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সাতক্ষীরা সদর এবং বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় তিন শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে রূপগঞ্জে এক শিশু (১২) ধর্ষণের অভিযোগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মামলা হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়–য়া ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর মা রূপগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। গত ২৮ অক্টোবর উপজেলার মাছুমাবাদ দিঘীরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত চন্দ্র কিশোর চন্দ্রা (৪৮) ওই এলাকার বাসিন্দা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার কুখরালীতে পঞ্চম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে রেজাউল ইসলাম (২৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাহউদ্দিন জানান, নানা প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ বছর বয়সী ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করে পার কুখরালী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রেজাউল। ঘটনাটি জানাজানি হলে রেজাউল কৌশলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই মাদ্রাসাছাত্রী ও পাশের ১১ বছর বয়সী আরেক মেয়েকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। পরে মাদ্রাসাছাত্রীর মা মেয়েকে না পেয়ে সোমবার দুপুরে থানায় মামলা করেন। পুলিশ মোবাইল ট্র্যাকিং করে রাজবাড়ী ফেরিঘাট এলাকা থেকে ওই দুই শিশুকে উদ্ধার এবং রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে।

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে ইশতিয়াক চৌধুরী ওরফে ইফতি (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইফতি উপজেলার তালোড়া পৌর এলাকার চৌধুরীপাড়া মহল্লার ইউনুস চৌধুরীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা ভ্যানচালক। মা একটি কারখানায় কাজ করেন। বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় মেয়ে প্রায়ই প্রতিবেশী অভিযুক্ত ইফতির বাড়ির আঙিনায় খেলাধুলা করত। গত ৩০ অক্টোবর দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি ভুক্তভোগী বাবা-মাকে জানায়। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা দুপচাঁচিয়া থানায় ইফতির বিরুদ্ধে মামলা করেন।