বলিউডের বিতর্কিত দুই মুখ কঙ্গনা রনৌত ও তার বোন-ব্যবস্থাপক রঙ্গোলি চান্দেল। ২৩ ও ২৪ নভেম্বরের মধ্যে তাদের মুম্বাইয়ে হাজির হতে হবে।
সম্প্রতি বান্দ্রা থানায় দুই বোনকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে উসকানিমূলক বিবৃতি দিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অশান্তি তৈরির অভিযোগেই কঙ্গনা ও রঙ্গোলিকে সমন পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
বান্দ্রা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের নির্দেশেই পুলিশের তরফে তাদের ডাকা হয়েছে।
এর আগে আরও দুইবার কঙ্গনা ও রঙ্গোলিকে সমন পাঠানো হয়। যদিও ‘কুইন’ অভিনেত্রী জানান, ভাই অক্ষয় রনৌতের বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। সেই কারণে মুম্বাইয়ে হাজিরা এই মুহূর্তে দিতে পারবেন না বলে জানান কঙ্গনার আইনজীবী।
কঙ্গনার ভাইয়ের বিয়ে শেষ হওয়ার পর ফের তাদের ডাকা হলো।
সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ ও ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন কঙ্গনা ও রঙ্গোলি, এই অভিযোগ এনে কিছুদিন আগে কাস্টিং ডিরেক্টর তথা ফিটনেস ট্রেনার মুন্নাওয়ার্লি সৈয়দ মামলা দায়ের করেন আদালতে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ২৯৫এ, ১২৪ ধারায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন।
মুন্নাওয়ার্লি সৈয়দ বিশেষভাবে কঙ্গনার সেই টুইটের ওপর জোর দিয়েছেন যেখানে নায়িকা মুম্বাইয়ের তুলনা টেনেছেন ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীরের’ সঙ্গে। তার দাবি, কঙ্গনার এই ধরনের মন্তব্যের পেছনে আসল উদ্দেশ্য কী ছিল তা খতিয়ে দেখার দরকার আছে। এর তদন্ত হওয়া একান্ত প্রয়োজন। এই নির্দেশ জানার পর পাল্টা টুইট করেছেন কঙ্গনাও।
এর কয়েক দিন আগেই কৃষি বিলের বিরোধীদের পথে নামা হাজার-হাজার চাষির বিরুদ্ধে তিনি যে মন্তব্য করে বসেছেন, তাতে তার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল ভারতের অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে কৃষক সমাজের একটা বড় অংশ। কৃষি বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখানো কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের তুলনা করেছিলেন কঙ্গনা। পাঞ্জাবের অমৃতসরে কৃষকেরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেই কঙ্গনার কুশপুত্তলিকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে পুলিশকে নির্দেশ দেয় আদালত।
গীতিকার জাভেদ আখতারও অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন। আরও কিছু ঝামেলায় জড়িয়ে তার নাম। মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে মাস কয়েক আগে।