ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পর তিরনই নদী থেকে স্বপ্না দাস নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদের উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। রবিবার সকালে ওই স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ নদীতে ভেসে ওঠে।
রবিন দাসের মেয়ে স্বপ্না উপজেলার মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের পরদেশি পাড়া গ্রামে।
পরিবার থেকে স্বপ্নাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলেও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রামবাসীদের বরাত দিয়ে দাবি করেছেন, মেয়েটিকে জ্বিনে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে।
স্বপ্নার বোন জামাই রাজকুমার দাস জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তার শ্যালিকা স্বপ্না মাছ রান্নার জন্য তার মাকে সাহায্য করছিল। এ সময় টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে সে রান্না ঘর থেকে বের হয়। এরপর সে আর ঘরে ফেরেনি। টয়লেটের সামনে তার পায়ের জুতা ও পানির পাত্রটি পড়েছিল। অনেক খোঁজ করেও তার সন্ধান মেলেনি। অবশেষে রবিবার সকালে বাড়ির পাশের তিরনই নদীতে স্বপ্নার মরদেহ পাওয়া যায়।
চাড়োল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার চ্যাটার্জি বলেন, গ্রামবাসীর মধ্যে কেউ কেউ বলছেন, জ্বিন মেয়েটিকে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলে। তবে বিষয়টি পুলিশ দেখছে।
অপরদিকে, স্বপ্নার মা-বাবার দাবি তার মেয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। তাকে হত্যা করা হয়েছে।
মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ বলেন, ছাত্রী হিসেবে স্বপ্না ভালো ছিল। তার এভাবে মৃত্যু হবে তা কোন ভাবে মেনে নেয়া যায় না ।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুস সবুর বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এর পর বলা সম্ভব হবে স্বপ্নার মৃত্যুর রহস্য ।