যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবস। গতকাল শুক্রবার ছিল ডা. মিলনের ৩০তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্বৈরশাসকের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ডা. মিলন। তার রক্তদানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতিবেগ সঞ্চার হয় এবং ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে।
নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ডা. মিলনের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় তার পরিবার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডা. মিলনের সমাধিতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নব্বইয়ের ডাকসুর সাবেক সভাপতি আমান উল্লাহ আমানের নেতৃত্বে বিএনপির পক্ষ থেকে মিলনের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।