টানা দুই ওয়ানডেতে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে মিলে দলকে ভালো সূচনা এনে দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। নিজে করেছিলেন ৬৯ ও ৮৩। কিন্তু ফিল্ডিংয়ের সময় কুঁচকিতে টান পড়ে তার। সতীর্থদের কাঁধে চড়ে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড ত্যাগ করেন। তার জায়গায় আজ ক্যানবেরার শেষ ওয়ানডেতে ম্যাথু ওয়েড বা ডি’অর্চি শর্টকে ফিঞ্চের সঙ্গী হতে দেখা যাবে। ইনজুরির কারণে ভারতের বিপক্ষে কমপক্ষে প্রথম টেস্ট পর্যন্ত মাঠের বাইরে থাকতে হবে ওয়ার্নারকে। ৪ ডিসেম্বর শুরু টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাই ডি’অর্চিকে দলে নিয়েছে অস্টেলিয়া। কিন্তু ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু প্রথম টেস্টে ওয়ার্নারের বিকল্প কে হবেন তা এখনো নিশ্চিত নয়। কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বলেছেন, এই সুযোগে তরুণরা নিজেদের প্রমাণ করতে পারবে। এ জন্য ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের দুটি ট্যুর ম্যাচকে (৬ ও ১১ ডিসেম্বর) পাখির চোখ করেছেন তিনি। ওই ম্যাচে ভালো করা ওপেনারের প্রথম টেস্টের দলে সুযোগ দেখছেন ল্যাঙ্গার।
সিরিজ শুরুর আগে ওয়ার্নারের ওপেনিং জুটি কে হবেন তাই নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মহলে। নিয়মিত ওপেনার জো বার্নসের জায়গায় তরুণ উইলিয়াম পুকোভস্কির নাম উঠে আসে। এখন ওয়ার্নারের ইনজুরিতে এ দুজনের একাদশে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে গেল। ল্যাঙ্গারের মতে, এ কারণে পুকোভস্কি ও বার্নস কাকে নেবেন সেই চাপটাও এখন নেই, ‘আমি এখন কিছুটা রিলাক্স। আমরা দুটি ম্যাচ জিতেছি এবং টেস্টের একাদশে কারা থাকবে সে নিয়ে চিন্তা নেই। আমি বারবারই বলেছি দল নির্বাচন করা খুব কঠিন। কিন্তু এখন আমরা দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ পাচ্ছি। একটি টি-টোয়েন্টির জন্য (৬ ডিসেম্বর)। দিবারাত্রির টেস্টের আগে আরেকটি এক দিনের ট্যুর হবে ১১ ডিসেম্বর। ওয়ার্নার না থাকায় এখন তরুণদের জন্য দারুণ সুযোগ এসেছে। ট্যুর ম্যাচগুলোতে ভালো করে কে এই সুযোগ নেবে সেটাই দেখার।’
১৭ ডিসেম্বর সিরিজের প্রথম টেস্টে বার্নসের সঙ্গী হিসেবে থাকতে পারেন পুকোভস্কি। তাতে ২০১৬তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পিটার হ্যান্ডসকম্ব, ম্যাট রেনশ ও নিক ম্যাডিনসনের পর চতুর্থ অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে দিবারাত্রির টেস্টে অভিষেক করবেন এই ব্যাটসম্যান। ইন্টারনেট।