পরীক্ষায় সব সময় আশানুরূপ ফলাফল নাও হতে পারে। তার জন্য হতাশ হলে চলবে না। খারাপ ফলাফলের কারণ হতে পারে চেষ্টায় কমতি, পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব, পারিপার্শ্বিক অবস্থা কিংবা অভিভাবকের যথাযথ দায়িত্ব পালনে ঘাটতি। তাই খারাপ ফলাফল মানেই ব্যর্থতা নয়। একবার কোনো কাজে অকৃতকার্য হওয়া মানে রাজ্যের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়ে যাওয়া। তাই নতুন উদ্যমে পড়াশোনা করে নতুন বছরে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। লিখেছেন ফাতেমা বেগম
ফলাফল খারাপ হলে হতাশায় ভোগা যাবে না। ডিপ্রেশনের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা হচ্ছে, সেই ব্যর্থতার পাশাপাশি আস্তে আস্তে তোমার জীবনে বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসবে। এ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ছোট-বড় সব ভুল মনে করিয়ে দিতে থাকবে। তাই অযথা ডিপ্রেশনে না ভুগে ভালো রেজাল্টের জন্য নতুন উদ্যমে এখন থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে হবে। শুরুতেই খারাপ ফলাফলের কারণ কী, তা বের করতে হবে। এরপর তা প্রতিকার করতে হবে।
মনোবল হারালে চলবে না। সফল হওয়ার মতো মনোবলই যদি তোমার না থাকে তবে সফলতা আসবে কীভাবে? তাই সব সময় নিজেকে মূল্যবান মনে করবে। মাথায় রাখবে, খারাপ ফলাফল হলেই যে আর ভালো ফলাফলের সুযোগ নেই, তা নেই। চেষ্টার বিকল্প কিছু নেই।
পৃথিবীতে এমন অনেক সফল মানুষ আছেন, যারা এক বা একাধিকবার পরীক্ষায় খারাপ ফলাফল করেছেন। এদের তালিকায় আছে অপরাহ উইনফ্রে, স্টিভেন স্পিলবার্গ, টমাস আলভা এডিসন, আলবার্ট আইনস্টাইন, আব্রাহাম লিঙ্কন, এলভিস প্রিসলি, বিল গেটসের মতো ব্যক্তিরা। খেয়াল রাখবেন তাদের সফলতার সামনে ছাত্রজীবনের ব্যর্থতাগুলো কিছুই না! ঘটে যাওয়া সবকিছু ইতিবাচকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করবে। রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তার মানে এই নয় যে, সামনের পরীক্ষায় তোমার রেজাল্ট ভালো হবে না। মাথায় রাখবে, রেজাল্ট খারাপ মানেই হতাশ নয়। বরং সফলতার পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়ার সংকেত মাত্র।