ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশে দেশ অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৭০ শতাংশ করোনা রোগী ঘরে বসে টেলিমেডিসিনের সেবা গ্রহণ করছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল ক্ষেত্র ডিজিটালাইজেশনের কারণে যে পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে তা অনেক দেশই প্রত্যাশা করতে পারেনি।
রাজধানীতে এসএমই ফাউন্ডেশন ও কম্পিউটার প্রযুক্তি সংক্রান্ত বহুজাতিক করপোরেশন ওরাকলের যৌথ উদ্যোগে ‘দেশি ভালোবাসি ই কমার্স ওয়েভ সাইটের পেমেন্ট গেটওয়ের’ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার রাতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের বিকাশ বিস্ময়কর— উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল এখন তৃণমূলের মানুষও পাচ্ছে। প্রাত্যহিক লেনদেন ডিজিটাল হয়েছে । এ ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, অনলাইনের পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাহকের পরিপূর্ণ আস্থা অর্জন করতে পারলে ডিজিটাল কমার্সের ক্ষেত্রে ক্যাশ অন ডেলিভারি বা পণ্য হাতে পাওয়ার পর টাকা পরিশোধের পরিমাণ কমে আসবে।
পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, “দেশে ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোন চালু হলেও জাতীয় নেতৃত্বের দূরদর্শিতার অভাবে তা সাধারণের নাগালে পৌঁছাতে পারেনি। বিনা মূল্যে সাবমেরিন কেবল সংযোগ প্রত্যাখ্যান করায় ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে বাংলাদেশকে প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে ৪টি মোবাইল অপারেটরকে লাইসেন্স প্রদান করায় মোবাইল ফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে যায়। ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার সহজলভ্য করা হয়।”
এ সময় মোস্তাফা জব্বার ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিও তুলে ধরেন।
এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নারী উদ্যোক্তা মানতাসা আহমেদের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম. নারী উদ্যোক্তা সুনিয়া বশির কবির এবং ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজার রুবাবা দৌলা বক্তৃতা করেন।