ধর্মপ্রাণ মানুষদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় বিএনপি: হানিফ

বিএনপি উন্নয়ন ও অর্জনে ভীত হয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও সফলতায় ভবিষ্যতে বিএনপির আর কখনো ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ নেই। সে কারণে তারা এখন ধর্ম ব্যবসায়ীদের দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে ও অপব্যাখ্যা দিয়ে দেশের সহজ-সরল-ধর্মপ্রাণ মানুষদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগের বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে হানিফ বলেন, ধংসাত্মক কার্যক্রম নিয়ে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যে দক্ষতা, মেধা ও প্রাজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। সেই জায়গায় আপনাদের যদি ক্ষমতায় আসার চিন্তা-ভাবনা করতে হয় তাহলে জনগণের কাছে যান। ২০২৩ নয়, ২০২৮ সালের পরে জনগণ আপনাদের গ্রহণ করবে কি না, সেটা নিয়ে ভাবেন। তার আগে আপনাদের ক্ষমতায় আসার ভাবনার কোনো প্রয়োজন নেই। সেটা ভেবে কোনো লাভও হবে না। বঙ্গবন্ধুকন্যার যতদিন শারীরিক সক্ষমতা থাকবে, ততদিন এই বাংলাদেশের জনগণের ভালোবাসা ও রায় নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবেন। কোনো অপশক্তি নেই তাকে পরাস্ত করে নির্বাচনে জয়লাভ করার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এখন লক্ষ্য একটাই হবে। প্রতিটি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। সংগঠনের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত বা ধর্ম ব্যবসায়ীদের অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চলবে তার হাতে গড়া সংবিধান অনুযায়ী। এই বাংলাদেশ কীভাবে চলবে সেই ফয়সালা একাত্তর সালে হয়ে গেছে। এতে যারা বাধা দেবে তাদের বাংলাদেশে থাকার নৈতিক অধিকার থাকতে পারে 

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিরোধিতাকারীদের উদ্দেশ্য করে আ. লীগের এই নেতা বলেন, ভাস্কর্য নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি, যারা এখন অন্য নাম ব্যবহার করছে। হঠাৎ করেই তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠল কেন? ভাস্কর্য যদি এতই ধর্মবিরোধী হয় তাহলে যখন জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য বানানো হয়েছিল তখন বলেননি কেন? এখনো তো চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সামনে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য রয়েছে। সেটা নিয়ে বলেননি কেন? বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে এত গাত্রদাহ কেন। কারণ তারা এখনো স্বাধীনতাকেই মেনে নিতে পারেননি। তারা একাত্তরেও রাজাকার ছিল, এখনো রাজাকার আছে। তারা দেশের সংবিধান মানে না। জাতীয় সংগীত মানে না।