কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুর মামলার দুই আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল রবিবার কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এ তারা ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি দেন।
আসামিরা হলেন কুষ্টিয়ার মাদ্রাসা ইবনে মাসউদের হেফজ বিভাগের ছাত্র আবু বক্কর ওরফে মিঠুন (১৯) ও সবুজ ইসলাম ওরফে নাহিদ (২০)।
একই মামলার অন্য আসামি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী ও মো. আল আমীন গত শনিবার জবানবন্দি দেন।
গতকাল দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে পুলিশ দুই ছাত্রকে আদালতে হাজির করে। পরে বিচারক দেলোয়ার হোসেন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জবানবন্দিতে মিঠুন ও নাহিদ জানান, তারা মাওলানা মামুনুল হক ও সৈয়দ ফয়জুল করিমের বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে দু-তিন পরে ভাস্কর্যটি ভাঙেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়ার সদর থানার ওসি (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার জানান, ৪ ডিসেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ দেখে চার আসামিকে শনাক্ত শেষে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুই শিক্ষক চার দিন এবং দুই ছাত্রকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তারা আদালতে জবানবন্দি দিলেন বলে জানান তিনি।