দুই বছরে ৩৫ লাখ ইউনিক অর্ডার ডেলিভারি করেছে ইভ্যালি

তিন বছরে পা দিল দেশীয় ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি ডটকম লিমিটেড। নানা আয়োজনে নিজেদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে প্রতিষ্ঠানটি। দুই বছরে তারা ৩৫ লাখ ইউনিক অর্ডার ডেলিভারি করেছে বলে জানায়।

বুধবার রাজধানীর রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সীমিত পরিসরে নানা আনুষ্ঠানিকতায় দিনটি উদযাপিত হয়। আয়োজনের শুরুতেই মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

ইভ্যালি সূত্রে জানা যায়, করোনা পরিস্থিতিতে নিজস্ব কর্মী এবং সীমিত গ্রাহক ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ ছাড়া দেশের ই-কমার্স, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ইভ্যালির সেরা সেরা বিক্রেতা হিসেবে ফেয়ার ইলেকট্রনিস এর নাম ঘোষণা করেন ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল।

এ ছাড়া সেরা বিক্রেতাদের মধ্যে পিএইচপি গ্রুপ, হিরো, রানার, টিভিএস, কোকাকোলা, পারটেক্স গ্রুপ, ফ্লোরা লিমিটেড, আফতাব গ্রুপ, আখতার ফার্নিচার এর মতো আরো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল মহান বিজয় দিবস এবং সেই সঙ্গে একাত্তরের মহান শহীদের স্মরণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে যেমন বাংলাদেশের জন্ম হতো না, তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম না হলে হয়তো ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্ম হতো না। আজ আমরা খুবই আনন্দিত যে আমরা সফলতার সঙ্গে দুই বছর পার করলাম এবং এই সফলতার পেছনের সব থেকে বড় অবদান ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজিব ওয়াজেদ জয়ের। আর এটা সফল করা সম্ভব হয়েছে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ইক্যাব, বেসিস, সব মিডিয়া, গ্রাহক এবং বিক্রেতাদের আন্তরিকতার জন্য। আর সব গ্রাহক ও বিক্রেতাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ইভ্যালীর দক্ষ কর্মীরা। আমি সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, ইভ্যালি সমগ্র ই-কমার্সে ৭০ শতাংশ সেবা প্রদান করে, গত দুই বছরে প্রায় ৩৫ লাখ ইউনিক অর্ডার ডেলিভারি করে এবং ভবিষ্যতেজিডিপিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন বলেন, মাত্র সাত থেকে আটজন সদস্য নিয়ে শুরু হওয়া ইভ্যালি আজ আট শতাধিক সদস্যের পরিবার। তবে আমাদের আরও পথ পাড়ি দিতে হবে। এই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, আনাচে কানাচে ই-কমার্সকে নিয়ে যেতে হবে। গ্রাহক এবং বিক্রেতারা আমাদের যেভাবে সাহায্য করে যাচ্ছেন, আমাদের ওপর আস্থা রাখছেন, তাতে আমাদের বিশ্বাস ইভ্যালি সেই গুরুদায়িত্ব অল্প সময়ের মাঝেই সফলভাবে পালন করতে সক্ষম হবে।

সবশেষে কেক কাটার মধ্যে দিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।