‘বাংলাদেশি দুষ্ট ব্যবসায়ীদের অস্ত্রের ভয়ে সীমান্তে ওরা গুলি করে ফেলে’

সীমান্তে হত্যার পেছনে বাংলাদেশিদেরও দোষ দেখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লোকজন ওখানে বর্ডারের ভিতরে ঢুকে অনেক ভিতরে যায়... এবং বন্দুক নিয়ে যায় গোলাগুলিও হয়... বোমও নিয়ে যায়। এটা আসলে একতরফা কিন্তু দোষ না, আমাদেরও কিন্তু দোষ। কারণ আমাদের কিছু দুষ্‌টু ব্যবসায়ীরা, এরা ওখানে ইললিগ্যালি যায় এবং তাদের কাছে অস্ত্রও থাকে, তখন ওরা বাধ্য হয় ভয়ে, ওদের গুলি করে ফেলে’।

বৃহস্পতিবার দু’দেশের সমঝোতা চুক্তি সই অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সীমান্ত হত্যার বিষয়ে দুই নেতার শীর্ষ সম্মেলেনের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতাই একমত হয়েছেন যে, সীমান্তে বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানি একটি উদ্বেগের বিষয় এবং সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে এ ধরনের ঘটনা শূন্যতে নামিয়ে আনা হয়।

একইসঙ্গে বিডিআর এবং বিএসএফের সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের পূর্ণ বাস্তবায়নেও দুই প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় যৌথ বিবৃতিতে।

সীমান্ত হত্যা নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলো কি আপনাকে হতাশ করে? আমরা বাংলাদেশি লোক আমাদেরও হতাশ করে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, এগুলো আলোচনার মাধ্যমে অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি, আজকেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী আবার অঙ্গীকার করেছেন, প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ওখানে ব্যবহার হবে। আমরা তাদের অবশ্যই বিশ্বাস করতে চাই। আমরা সবসময় আশাবাদী। আমরা চাই না একজন লোকও সীমান্ত মারা যাক।