পায়রাবন্দর

দেশের অর্থনীতির শক্তি হিসেবে কাজ করবে : খালিদ

২০৩৫ সালে পায়রাবন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, ২০৩৫ সালে পায়রাবন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি। পায়রাবন্দরের বাকি যে কার্যক্রমগুলো আছে, সেগুলো খুব দ্রুতই সম্পন্ন করতে পারব।’ গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পায়রাবন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে জরুরি মেইনটেনেন্স ড্রেজিং প্রকল্পের চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

পায়রাবন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে (ইনার ও আউটার চ্যানেল) ৬ দশমিক ৩ মিটার গভীরতা বজায় রাখার লক্ষ্যে জরুরি মেইনটেনেন্স ড্রেজিং প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পায়রাবন্দর কর্র্তৃপক্ষ ও বেলজিয়ামভিত্তিক ড্রেজিং কোম্পানি জান ডে নুলের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী রাবনাবাদ চ্যানেলের (ইনার ও আউটার চ্যানেলে) প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১০০-১২৫ মিটার প্রস্থবিশিষ্ট চ্যানেলে আনুমানিক ৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ঘনমিটার পলি অপসারণ করা হবে। ১৮ মাস সময়ের মধ্যে ড্রেজিং কাজ সমাপ্ত করতে প্রায় ৪৩৭ দশমিক ৩০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। প্রকল্পটির ব্যয় পায়রাবন্দরের নিজস্ব তহবিল থেকে সংকুলান করা হবে।

২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পদার্পণ করবে উল্লেখ করে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের লক্ষ্য ইতিমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। পৃথিবীর সব অর্থনীতিবিদ বলছেন, বাংলাদেশ যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তার আগেই উন্নত দেশ হবে।