যুবলীগের প্রধান কার্যালয়ের পিয়ন থেকে শতকোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া সংগঠনের বহিষ্কৃত নেতা কাজী আনিসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শিগগিরই কমিশনে সেটা উপস্থাপন করা হবে এবং অনুমোদন পাওয়ার পর তা আদালতে দাখিল করা হবে। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গত বছরের ২৯ অক্টোবর আনিস-সুমি দম্পতির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ থাকার অভিযোগ এনে আলাদা দুটি মামলা করে দুদক। মামলাগুলো তদন্ত করেন দুদকের উপকমিশনার গুলশান আনোয়ার প্রধান। আর তদন্ত তদারকি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। তদন্তে নেমে দেশে-বিদেশে আনিস-সুমি দম্পতির বিপুল পরিমাণ সম্পদের সন্ধান পান কর্মকর্তারা।
তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্যমতে, কাজী আনিসের অর্ধশত ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। এসব ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। শুধু প্রাইম ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৩টি হিসাবে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি টাকার বেশি। এসব হিসাবে বর্তমানে জমা রয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা, যা আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে।