টেকনিকে উন্নতির পরামর্শ চ্যাপেলের

মাঠে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সব সময়ই জ্বলন্ত ইস্যু। সেই আশির দশকে উইন্ডিজ পেস ব্যাটারির বাউন্সার থেকে ব্যাটসম্যানদের বাঁচাতে বাউন্স সীমাবদ্ধ করার নিয়ম চালু হয়েছিল। সেই নিয়ম এখনো চলছে। তবু বোলারের বাউন্স থেকে ব্যাটসম্যানের জীবন পুরোপুরি সুরক্ষিত হয়নি। ফিল হিউজকে জীবন দিতে হয়েছে। মাঠে কেউ কেউ মাথায় বল লেগে আহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতি বাউন্স নিষিদ্ধ করার দাবি উঠছে।

যদিও এমন দাবির পক্ষে নন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল। তিনি বরং ব্যাটসম্যানের টেকনিকে উন্নতি ঘটানোর পক্ষে কথা বলেছেন। হিউজের মৃত্যুর পর্যালোচনায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কেন ব্যাটসম্যানদের টেকনিকে উন্নতির সুপারিশ করেনি তা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। ক্রিকইনফোতে নিজের কলামে ইয়ান চ্যাপেল লিখেছেন, ‘ফিল হিউজের ট্রাজিক মৃত্যুর পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কারণ অনুসন্ধান করতে যে তদন্ত পরিচালনা করেছিল তাতে টেকনিকে উন্নতির প্রসঙ্গ রাখেনি। আমার মনে হয় বোলারের বাউন্সার থেকে মাথা বাঁচাতে ব্যাটসম্যানের টেকনিকই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র।’ চ্যাপেল মনে করেন বাউন্স নিষিদ্ধ না করে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘কনকাশন-সাব’ এর যে নিয়ম চালু করেছে তা ব্যাটসম্যানের মাথা বাঁচাতে পারে। তিনি যুক্তিও দিয়েছেন। চ্যাপেলের মতে কনকাশন-সাব হিসেবে একটা দল প্রয়োজনের সময়ে একজন বোলারের পরিবর্তে সেরা ব্যাটসম্যান পেয়ে যেতে পারে। কখনো আবার সাধারণ ব্যাটসম্যানের বদলে পেয়ে যেতে পারে সেরা বোলার। কারণ কনকাশন সাবের যে আইন তাতে বলা নেই বোলারের পরিবর্তে বোলার কিংবা ব্যাটসম্যানের পরিবর্তে ব্যাটসম্যান নিতে হবে। এটা কতটা সুবিধা করে দিতে পারে তা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত টের পেয়েছিল। রবিন্দ্র জাদেজার কনকাশন সাব হিসেবে তারা যুজবেন্দ্র চাহালকে মাঠে নামায়। এবং তিন উইকেট নিয়ে সে দলের জয়ে ভূমিকা রাখে। চ্যাপেল মনে করেন কনকাশন-সাবের নিয়ম বুমেরাং হতে পারে ভেবেই কোনো বোলার হয়তো প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানকে বাউন্সার দিয়ে আহত করতে চাইবে না।