তুরস্ক-ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্কে অগ্রগতি

ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। তুরস্কের প্রেসিডেন্টের পরামর্শদাতা মেসুদ কাসিনের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে ভয়েস অব আমেরিকা।

মেসুদ বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হয়েছে এবং মার্চ নাগাদ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন হতে পারে।

২০১৭ সালে দুই দেশের মাঝে উত্তেজনা বাড়ে। তখন তুরস্ক নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেয়।

চলতি আলোচনার কথা উল্লেখ করে মেসুদ কাসিন বলেন, “ইসরায়েল যদি এক পা বাড়ায়, তবে আমরা দুই পা বাড়াবো। আমরা সবুজ আলো দেখতে পাচ্ছি, মার্চ মাসেই আমরা দূতাবাস খুলবো আশা করছি।”

মেসুদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জো বাইডেনের বিজয় সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করবে।

২০১০ সালে অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সাহায্য নিয়ে আসে ছয়টি জাহাজ। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল মাভি মারমারা। নোঙর করা অবস্থায় ওই জাহাজে ইসরায়েল আক্রমণ করে। এতে তুরস্কের নয় মানবাধিকার কর্মী মারা যায়। এর পর থেকে তুরস্ক-ইসরায়েলের সম্পর্কের সমীকরণ পুরোপুরি আগের অবস্থায় যায়নি।

মেসুদ বলেন, ইসরায়েল ও তুরস্কের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাভি মারমারার মতো ঘটনা তারা আর চান না।