গত অক্টোবরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে দেশের ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী ২ কোটি ৮ লাখ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে ইউনিসেফ। বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি টোমো হোজুমি বলেন, এটি বাংলাদেশের শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বিজয়। বিস্তৃত পরিসরে টিকাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী, শিশু ও তাদের মা-মাবার সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এ ক্যাম্পেইন নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুই সপ্তাহের ‘এ’ ক্যাম্পেইনে লক্ষ্যমাত্রার ৯৭ শতাংশ পূরণ হয়েছে। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনটি পরিচালনা করে। কভিড-১৯-এর প্রেক্ষাপটে নিরাপদে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্দেশনা ও যোগাযোগ উপকরণ তৈরিতে সহায়তা দেয় সংস্থাটি।
এ ছাড়া স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য ৩ লাখ ৬০ হাজার মাস্ক সরবরাহ করেছে ইউনিসেফ। ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনটি পরিচালিত হয়। এ সময় মা-বাবা ও শিশুদের জন্য যথাযথভাবে মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হাত ধোয়ার সুবিধা নিশ্চিত করাসহ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা সেবা প্রদান করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার প্রচারণা কার্যক্রমের রিপোর্ট দিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছে। এতে ক্যাম্পেইনের রিয়েল-টাইম মনিটরিং ও রিপোর্টিং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। ক্যাম্পেইন চলাকালে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সবাইকে টিকা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা জানতে, বিশেস্নষণ করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শেয়ারের জন্য প্রতিদিন ১ হাজার ৪৫০ জনের বেশি পর্যবেক্ষক ১৪ হাজার বিতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।