নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে নিখোঁজের ৫২ দিন পর মুন্সীগঞ্জের রামপালের এক বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে রফিকুল ইসলাম রনি নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বুধবার ওই যুবকের কল লিস্টের সূত্র ধরে ঢাকার বাড্ডা থেকে তার খালা রুমা (৫১) ও তার বাড়ির গৃহপরিচারিকা আম্বিয়াকে (৩২) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে রনির গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবক রফিকুল ইসলাম রনি ফতুল্লার লালপুরের মৃত কাজী জাহের উদ্দিনের ছেলে। গ্রেপ্তার রুমা মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর থানার রামপাল গ্রামের সিকদারবাড়ির জসিম খন্দকারের স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকা আম্বিয়া ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সামাদ মিয়ার মেয়ে।
গত ২ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় নিহত রনি লালপুরস্থ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এ বিষয়ে রনির ভাই আমিনুল ইসলাম জনি বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করেন।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা আরিফ পাঠান দেশ রূপান্তরকে বলেন, সাধারণ ডায়েরির তদন্ত করতে গিয়ে কল লিস্টের সূত্র ধরে বুধবার সকালে ঢাকার বাড্ডা থেকে প্রথমে নিহত রনির দূর সম্পর্কের খালা রুমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি মতে তার বাসার গৃহপরিচারিকা আম্বিয়া আটক হয়। এরপর তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক মুন্সীগঞ্জের রামপালের সিকদারবাড়িস্থ রুমার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে রনির লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ভাই জনি দেশ রূপান্তরকে জানান, রনি গত ২ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় বাসা থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফিরে আসেনি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে তিনি বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ইনচার্জ আসলাম হোসেন জানান, রনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তর পর কীভাবে মারা গেছে তা জানা যাবে। নিহত রনি ও গ্রেপ্তার রুমার মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে জানান তিনি।