হামলা ও মারধরের প্রতিবাদ এবং সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার সব হাসপাতালে দ্বিতীয় দিনের মতো বহির্বিভাগে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রেখেছেন চিকিৎসকরা। তবে জরুরি ও অন্তঃবিভাগে চিকিৎসা সেবা চালু রয়েছে।
এদিকে বহির্বিভাগ ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে রোগী দেখা বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) জামালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও স্বাচিপ আহ্বায়ক মোশায়েরুল ইসলাম রতন জানান– সদর থানার ওসির প্রত্যাহার, ডাক্তারদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের শাস্তি, জামালপুরসহ দেশের সব হাসপাতালে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত ও চিকিৎসা সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে তাদের এই আন্দোলন চলছে।
সোমবারের মধ্যে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সন্তোষজনক রিপোর্ট না পাওয়া গেলে ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলাসহ পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই আন্দোলন শুরু হবে।
গত শুক্রবার দুপুরে এক রোগীর মৃত্যুর পর তার স্বজনরা চিকিৎসকদের ওপর হামলা ও মারধর করেন। পরে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করলে কয়েকজন চিকিৎসক আহত হন। পরে পুলিশ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমানসহ কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করে থানায় নিয়ে কিছু সময় পর ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে গত রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য জামালপুরের সব হাসপাতালে বহির্বিভাগে চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেন চিকিৎসকরা।