অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিল ওষুধ প্রশাসন

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন। সোমবার তারা এ সংক্রান্ত একটি অনাপত্তিপত্র দেয় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডকে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মুখপাত্র আইয়ুব হোসেন রাতে দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, আমরা বেক্সিমকোকে এ টিকা আমদানির অনুমতি দিয়েছি। বাংলাদেশে এ টিকা আনতে আর কোনো বাধা নেই। 

তিনি জানান, টিকা আমদানির পর বেক্সিমকো তা সরকারের হাতে তুলে দেবে। এরপর সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। 

ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের টিকাটি ভারতে উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট।ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের বাংলাদেশি অংশীদার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল।

বেক্সিমকো ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে করা চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে যে, স্থানীয় অনুমোদনের পর (বাংলাদেশ অনুমোদন দিলে) সেরাম ইনস্টিটিউট এক মাসের মধ্যেই প্রথম ধাপের ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান সোমবার সাংবাদিকদের জানান, টিকা আনতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) অনুমতি প্রয়োজন। যেকোনো ওষুধ বাংলাদেশে আমদানি করতে গেলে, বিক্রি করতে গেলে, স্টক করতে গেলে, মানুষের শরীরে প্রয়োগ করতে গেলে, প্রত্যেকটার আগে ড্রাগ প্রশাসনের ডিজির কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হয়। এটিরও আমরা আজকে অনুমোদন দিয়েছি। আজকে দুপুরের মধ্যে চিঠি আসবে তাদের কাছ থেকে। 

এরপর সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা আমদানির অনুমোদনের খবর পাওয়া গেল।