করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) নিয়ন্ত্রণে বুধবার চীনের হেইলংজিজিয়াং প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রদেশটিতে ৩ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি লোক বাস করে।
গত বছর ডিসেম্বরে চীনের উহানে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ঘটে। এরপর দেশটি কঠোরভাবেই করোনায় নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়।
সম্প্রতি করোনার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে লকডাউনসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
দেশটির উত্তরাঞ্চলের প্রায় ২ কোটিরও বেশি লোক বর্তমানে লকডাউনের আওতায় রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হেইলংজিজিয়াং প্রদেশের সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। ভীষণ দরকার না পড়লে প্রদেশ না ছাড়তে এবং সভা-সমাবেশ না করতে জনগণকে বলা হয়েছে।
বুধবার প্রদেশটিতে ২৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগ নেয়।
চীনে আগামী মাসে নতুন চন্দ্র বছর উদ্যাপিত হবে। এ সময়ে প্রচুর লোক ভ্রমণ করে। তাই অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম হলেও উৎসবকালে এর বিস্তার যেন ব্যাপক না হয়, সে লক্ষ্যে তা নিয়ন্ত্রণে দেশটি এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন বলছে, দেশটিতে বুধবার নতুন করে ১১৫ জন করোনা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের অধিকাংশই হুবেই প্রদেশের গুচ্ছ সংক্রমণের অন্তর্ভুক্ত।