ক্ষতি কাটিয়ে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আবারও ঘুরে দাঁড়াবে: ফেরদৌস

আজ থেকে শুরু হয়েছে ‘১৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’। এটি আয়োজন করছে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ। মুজিব শতবর্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা হয়েছে উৎসবটি। এই উৎসব চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। উৎসবে ‘এশিয়ান ফিল্ম প্রতিযোগিতা’ বিভাগের জুরির দায়িত্ব পালন করবেন ফেরদৌস আহমেদ। উৎসব ও নানা বিষয়ে কথা বললেন তিনি।

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের জুরি হওয়ার অনুভূতি কেমন?

আজ থেকে উৎসবটি শুরু হয়েছে। ৯ দিনের এই উৎসবে ৭৩টি দেশের ২২৫টি ছবি দেখানো হবে। এবারই প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরির দায়িত্ব পালন করছি। চেষ্টা করব ভালো করার। এরকম একটা বড় আয়োজনে জুরি হিসেবে থাকছি। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্রগুলো দেখব। এমন একটা দায়িত্ব পাওয়া সত্যিই বড় আনন্দের।

কিভাবে সম্পৃক্ত হলেন এই উৎসবের সঙ্গে?

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের সঙ্গে আমার আগে থেকেই জানাশোনা ছিল। আমি ছাত্র থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম সোসাইটি করতাম। সেই সূত্রেই এদের সঙ্গে পরিচয়। আমার এইসব উৎসবে অংশ নিতে ভালো লাগত, কারণ এসব উৎসবে নানা দেশের নানা ছবি দেখার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কলাকুশলীদের সঙ্গেও মেশা যায়। বলতে পারেন এসব উৎসব কালচারাল এক্সচেঞ্জের একটা মিলনমেলায় পরিণত হয়। তো রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের এই আয়োজনের সঙ্গে এবার যুক্ত হতে পেরে ভালো লাগছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার যে তারা একটা গুরু দায়িত্বও আমার উপর অর্পণ করেছে। আমার ভালো লাগার এটাও একটা অন্যতম কারণ।

‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ সিনেমার কি খবর?

আমি ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ নামে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। এটি পরিচালনা করেছেন এখলাস আবেদীন। ছবিটির কাজ শেষ হয়েছে। এই ছবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আমরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি এই চলচ্চিত্রে। জাতির জনককে কেন্দ্র করে একটা কিছু করতে পারছি, এটাই ভালো লাগার বিষয়। এসব কাজ আগামী প্রজন্মের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আর কি কি কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন?

‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমার ডাবিং শুরু করব। এ ছাড়া গাঙচিল ও  জ্যাম ছবির শুটিং করলাম। বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের কাজ শুরু হবে। আপাতত এসব নিয়েই ব্যস্ত আছি।

করোনা পরবর্তী চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে?

করোনার কারণে ইন্ডাস্ট্রির সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। সবাই চেষ্টা করছে ক্ষতিটা কাটিয়ে উঠার। আমাদের সবচেয়ে বড় বিষয় যে আমরা এখনো বেঁচে আছি। যত দ্রুত ক্ষতিটা কাটিয়ে উঠা যায় ততই মঙ্গল। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি শিগগিরই এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে। আমি আশাবাদী, ক্ষতি কাটিয়ে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।