পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে না বলাটা পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সকলের জন্যই মঙ্গলজনক। কারণ এসব অপকর্মে জড়িতরা সকলের শত্রু। মাদকসেবী কিংবা সন্ত্রাসী কোন পরিবারে থাকলে সেই পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। একইসঙ্গে এসব অপকর্মকারীকেও করুণ পরিণতি ভোগ করতে হয়। মৃত্যুর সময়ও তারা কাউকে ধারেকাছে পায় না। তাই সকলকেই বিশেষ করে তরুণ, যুবকদের মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে হবে। এসব থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে হবে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার সিলেটে র্যাব-৯ এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী ‘র্যাব ফোর্সেস হাফ ম্যারাথন’ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোমেন এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সন্ত্রাসী, জঙ্গি, মাদকসেবীরা সুপথে ফিরে আসুন। এটা সকলের জন্যই ভালো হবে। এজন্য আমরা জনসচেতনতামূলক প্রচার চালাচ্ছি। এর পাশাপাশি সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্র ব্যবসায়ীসহ সব ধরণের অপকর্মে জড়িতদের সমূলে উৎপাটন করা হবে। অপরাধ করে কেউ রক্ষা পাবে না।
জনসচেতনতামূলক এই র্যাব ফোর্সেস হাফ ম্যারাথনে ১০৫০ জন অ্যাথলেট অংশগ্রহণ করেন। সিলেট নগরীর কিনব্রিজ মোড় থেকে ম্যারাথন শুরু হয়ে লাক্কাতুরাস্থ সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপস্থিত সকলকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী শপথবাক্য পাঠ করান র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার।
পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান, র্যাব-৯ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু মুছা শরিফুল ইসলাম, জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী, রিয়াজ, সিয়াম, অভিনেত্রী মৌসুমী, মাহিয়া মাহি, বাউল কালা মিয়া প্রমুখ।