এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ: সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ২৭ জানুয়ারি

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে (১৯) দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের মামলার সাক্ষীরা উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি।  

রবিবার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত তারিখে মামলার অভিযুক্ত ৮ আসামিকে কারাগার থেকে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। কিন্তু সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহিতুল হক সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।   

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি রাশিদা সাঈদা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ঘটনায় গণধর্ষণ ও ছিনতাইয়ের পৃথক ধারায় আলাদা অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। উভয় অভিযোগপত্রে আসামিরা একই। তাই বাদীপক্ষের আইনজীবী রবিবার ধর্ষণ ও ছিনতাই উভয় মামলা একই আদালতে একসঙ্গে বিচার শুরুর আবেদন জানান। তবে বিচারক এই আবেদন খারিজ করে আগামী তারিখে সাক্ষী হাজির করার নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ ও ছিনতাই উভয় মামলার আসামি একই হওয়ায় একই আদালতে বিচার শুরুর জন্য আবেদন করেছিলাম। তবে আদালত তা মঞ্জুর করেননি। 

তিনি আরও জানান, আগামী তারিখে মামলার সাক্ষীদের হাজির করা হবে।   

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এই দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান থানায় মামলা করেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ৮ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ১৭ জানুয়ারি আদালত মামলার অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ¨ গ্রহণের জন্য ২৪ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়নি।

মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুম।