কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে জিলানী হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ২ নং আসামি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, কয়েক দিন ধরে আবদুস সাত্তার ঢাকার শাহবাগ থানা এলাকায় অবস্থান করছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার বিকালে তাকে গ্রেপ্তার করার পর রাতে কুমিল্লায় নিয়ে আসা হয়।
এছাড়াও ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন হত্যা পরিকল্পনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিলর আবদুস সাত্তারের বিরুদ্ধে।
পিবিআইয়ের একটি টিম মঙ্গলবার বিকালে তাকে ঢাকা শাহবাগ থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর কুমিল্লা কার্যালয়ে নিয়ে আসে।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে জিলানী হত্যাকান্ডের পর দায়ের করা মামলার আসামি কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন। একেক সময় তিনি একেক স্থানে অবস্থান করেন। কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার এ মামলার ২নং আসামি। হত্যাকান্ডের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ নভেম্বর সকালে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার পুরাতন চৌয়ারা বাজারে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা জিল্লুর রহমান জিলানীকে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনার দিন গভীর রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতের ছোট ভাই মো. ইমরান হোসাইন চৌধুরী। কাউন্সিলর আবুল হাসান, আবদুস সাত্তার এবং সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার ওরফে খলিলসহ ২৪ জনকে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে ঘটনার দিন পুলিশ আব্দুল কাদের নামে এজাহারনামীয় এক আসামি এবং মামলাটি পিবিআইতে আসার পর নুরুল ইসলাম নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। এরই মধ্যে এ মামলায় এজাহার নামীয় ১৫ জন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য অন্তবর্তীকালীন জামিন পায়। গত ৩০ নভেম্বর থেকে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।