ম্যারাডোনার দুটি বন্ধ লকার

মাতিয়াস মরলার হলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনার সাবেক অ্যাটর্নি। মাতিয়াসের আইনজীবী মার্সেলো ডি’আলেসান্দ্র। ইনি গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ১৯৮৫ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে ইতালির কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ ধার করেছিলেন ম্যারাডোনা।

ডি’আলেসান্দ্রর অভিযোগ সত্যি হলে ম্যারাডোনার যা সম্পত্তি রয়েছে ঋণ শোধের পর তা প্রায় ফুরিয়ে যাবে। তিনি বলেছেন, ‘ইতালির কোষাগারে যদি ওই বিপুল ধার মেটানো হয়, তাহলে আর কিছুই পড়ে থাকবে না। ম্যারাডোনা কখনোই বলেননি কোথায় রাখা আছে তার সম্পত্তি। যিনি ধার নিয়েছেন এটা করাই তার পক্ষে স্বাভাবিক। ধারের অঙ্কটা কত আমি বলব না, তবে সেই ধার মেটানোর পর খুব বেশি কিছু থাকবে না।’

মৃত্যুর আগে কোনো উইল করেননি ম্যারাডোনা। তাই সারা দুনিয়ার কোথায় ম্যারাডোনার কী পরিমাণ সম্পত্তি আছে তা জানা খুব মুশকিল। ফুটবল কিংবদন্তির এক বন্ধু বলেছেন, ‘ওই দুটি লকারে কী রয়েছে তা শুধু ম্যারাডোনাই জানেন। হয়তো ঘড়ি আছে, টাকা-পয়সা আছে। এমনও হতে পারে যে কিছুই নেই। কখনো খোলা হয়নি ওই লকার দুটি।’ এদিকে ম্যারাডোনার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বিপুল খরচের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকা রোসিও অলিভিয়ার বিরুদ্ধে। আরেক প্রেমিকা ভেরোনিকা ওজেরা সেই অভিযোগ তুলেছেন। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে রোজিও বলেছেন, ‘মৃত্যুর পর ওর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেছি- এটা পুরো মিথ্যে কথা। ম্যারাডোনাই আমাকে কার্ডগুলো দিয়ে গিয়েছিল ব্যবহার করার জন্য।’ ইন্টারনেট।