ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তি করল কসোভো

ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ল ইউরোপের মুসলিম দেশ কসোভো। সোমবার একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে।

ডয়চে ভেলে জানায়, কসোভার সম্পর্ক স্থাপনকে ‘ঐতিহাসিক ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল অ্যাশকেনাজি।

সোমবারের ওই ভার্চুয়াল সম্মেলনে কসোভোর প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলিজা হারাদিনাজ স্টুবলা, ইসরায়েলের পক্ষে ছিল গ্যাব্রিয়েল অ্যাশকেনাজি। দুই নেতা চুক্তিতে সই করেন।

এদিন কসোভো  জানায়, তারা জেরুসালেমে দূতাবাস খুলতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় দুই দেশের মধ্যে এ সম্পর্ক স্থাপন হলো।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘আজ আমরা ইতিহাস তৈরি করলাম। আমরা কসোভো ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু করলাম।’

কসোভোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায় লেখার কাজ শুরু হলো।’

এর আগে আরব আমিরাত ও কয়েকটি মুসলিম প্রধান দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করেছে। আমিরাতে এখন ইসরায়েলের পর্যটকদের ঢল নেমেছে।

কসোভোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘তার দেশ এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র হওয়ার জন্য দীর্ঘ ও চ্যালেঞ্জিং পথ পাড়ি দিয়েছে।’

২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসোভো। কিন্তু অনেক ইউরোপীয় দেশ তাদের স্বীকৃতি দেয়নি।

কসোভো ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক শুরুর সিদ্ধান্ত হয় গত সেপ্টেম্বরে। ট্রাম্পের আমন্ত্রণে কসোভোর প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ হোতি যখন হোয়াইট হাউসে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মিলিত হন।

ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে এখনো পর্যন্ত আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে ইসরায়েলের। এবার হলো কসোভোর সঙ্গেও।