করোনার টিকা বিক্রি করে এ বছর ১৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশা করছে মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ফাইজার। জার্মান জৈব-প্রযুক্তি সংস্থা বায়োএনটেকের সঙ্গে এ টিকা বানিয়েছে তারা।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রথম এ টিকা অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অনেক দেশে মানুষকে এ টিকা দেওয়া হচ্ছে।
বিবিসি জানায়, টিকাটি বিক্রি করে এ বছর ১৫ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় এক লাখ ২৭ হাজার কোটিরও বেশি) আয় করার প্রত্যাশা দেখছে ফাইজার।
এখন পর্যন্ত টিকা বিক্রির হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এ বছরের আয়ের লক্ষ্যমাত্রার এক চতুর্থাংশ অর্জন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।
মানুষের জীবন বাঁচাতে ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে অনেক দেশ এই টিকা পেতে চাচ্ছে। এ বছরের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যে ৪০ মিলিয়ন ডোজ টিকা দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফাইজার।
২০২১ সালে যত দ্রুত সম্ভব ২ বিলিয়ন ডোজ সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
টিকা বাণিজ্যে ফাইজারের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে আরেক মার্কিন প্রতিষ্ঠান মডার্না। দুই টিকারই কার্যকারিকতা ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফাইজার ও মডার্না এ বছর কয়েক বিলিয়ন আয় করবে।
মঙ্গলবার বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউগুর শাহিন জানান, চাহিদা পূরণের জন্য টিকার ডোজ বানানোর লক্ষ্যমাত্রা ১.৩ বিলিয়ন থেকে দুই বিলিয়নের বেশি বৃদ্ধি করেছে।