আইনমন্ত্রী অ্যাড. আনিসুল হক বলেছেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কারণে করোনা ভ্যাকসিন বাংলাদেশের জনগণের কাছে পৌঁছে গেছে। যে দিন থেকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য গবেষণা চলছিল, সেদিন থেকে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছিলেন ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণকে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করতে হবে’।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তারই (প্রধানমন্ত্রী) গাইডেন্সে আজকে আমরা ভ্যাকসিন পেয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারি সেই ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই’।
রোববার দুপুরে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টিকাদান উদ্বোধনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পাঁচজনকে করো ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে। তারা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর মোহাম্মদ, সাংবাদিক মানিক মিয়া, পুলিশ সদস্য রমিজ উদ্দিন, আবুল হাসেম ভূইয়া ও মো. কামাল।
আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। দেশে বিভেদের চেষ্টা চলছে। আপনাদের জানতে হবে বাংলাদেশের শত্রু কারা। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের লোক যখন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে’ বিএনপির সাহেবরা তখন বিদেশে চলে যায় চিকিৎসা করতে’।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘গত বছর যখন করোনা মহামারি শুরু হয় তখন এক বিদেশি সাংবাদিক বলেছিলেন, বাংলাদেশে ২০ লাখ লোক মারা যাবে। বাংলাদেশের রাস্তায় এত লাশ পড়ে থাকবে দুর্গন্ধে চলাচল করতে পারবে না। তাকে আমি বলতে চাই, দুঃখের হলেও বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২০০ জন মারা গেছে। পৃথিবীতে বাংলাদেশকে একটি খারাপ দেশ হিসেবে পরিচয় করাতে তারা এটা বলেছিল’।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আখাউড়া উপজেলায় ২৮০ ভায়াল টিকা এসেছে। ২ হাজার ৮০০ জন এ টিকা নিতে পারবেন। রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ ১৪৩ জন টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাসেম ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. জয়নাল আবেদীন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুর রহমান, আখাউড়া থানার ওসি মো. রসুল আহমেদ নিজামী প্রমুখ।