গত পাঁচ বছরে মাত্র ১২টি টেস্ট জিতেছে উইন্ডিজ। এর মধ্যে সিরিজ জয় কেবল দুটি। ঘরের মাঠে ২০১৮-তে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-০, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৯-এ ২-১-এ। এ ছাড়া অন্যান্য ছয় টেস্ট সিরিজে বেশিরভাগ সময়েই একটি করে টেস্ট জয় পেয়েছে। যার সবশেষটি এ বছর ইংল্যান্ডে। প্রথম টেস্ট জিতে এগিয়ে যাওয়া উইন্ডিজ সিরিজ হারে ২-১-এ। বারবার এক ম্যাচ জিতে ব্যাকফুটে চলে যাওয়া কোচ ফিল সিমন্স তাই বিরক্ত। এবার এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি চান না তিনি।
এই সিরিজে এক জয়সর্বস্ব থাকতে চান না সিমন্স। তাই চট্টগ্রামের টেস্ট জয়ের মানসিকতা ধরে রেখে মিরপুরে নামতে চান। সিমন্স বলেন, ‘এক ম্যাচ জিতে বাকি তিন বা চার ম্যাচে হারার ধারাবাহিকতায় আমি ক্লান্ত। আমাদের কিছু বিষয়ে উন্নতি করতে হবে এবং অনুশীলনে জেতার মানসিকতা ধরে রাখার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে যেন আবার পেছনের দিকে না যাই। আমরা এজন্য বেশ পরিশ্রমও করছি।’ এদিকে গতকাল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রথম টেস্টে উইন্ডিজের জয়ের সহযোগী ক্রমা বোনার। ২১৬ রানের জুটিতে ৮৬ রান করা বোনার জানালেন এই টেস্ট থেকে অনেক কিছুই নিতে পেরেছেন। তবে অভিষেক শতরান না হওয়ায় আক্ষেপ নেই তার, ‘আত্মবিশ্বাস, দেশের হয়ে লড়াইয়ের মানসিকতা এগুলো এই টেস্ট থেকে নিতে পেরেছি। আমরা দলের জন্য খেলি। অভিষেকে শতরান হলে ভালো হতো। তবে দল জিতেছে এটাই বড় কথা।’
কাইল মায়ার্স ৩১০ বলে করেছেন ২১০, অন্যদিকে বোনার ২৪৫ বলে করেছেন ৮৬। উইকেটে পড়ে থাকার মানসিকতাটা চেতেশ্বর পূজারার কাছ থেকে শিখেছেন বলে জানান বোনার, ‘চেতেশ্বর পূজারাকে ফলো করি। মানসিকভাবে সে খুব শক্ত। এটাই আমি ফলো করি। ওর খেলাও দেখি। ওর অনেকগুলো বিষয় আমাকে এই ইনিংসে সাহায্য করেছে।’
প্রথম টেস্টে এমন ভালো করার পর দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের চাপ থাকতে পারে। কিন্তু বোনারের কাছে এই চাপ কিছু নয়। যেকোনো ম্যাচে জয়ের জন্যই খেলা হয় এমনটাই ধরে নিয়ে ম্যাচে নামেন বোনার, ‘কোনো চাপ নেই। এটা সমর্থকরা মনে করতে পারে। কিন্তু আমাদেরকে আমাদের কাজটাই করতে হবে। এমন চাপ নিয়েই আমাদের খেলতে হয়। প্রতি ম্যাচেই জয়ের চেষ্টা করতে হয়।’