বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিলের ঘটনায় দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীসহ ২৯ জনের নামে মামলা করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহারে বিএনপির অজ্ঞাত আরো এক-দুই শ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাপ উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুলিশ আমাদের ওপরই হামলা করে। আবার মামলা দিচ্ছে। তবে আমাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। মামলা-নির্যাতন করে এ আন্দোলন দমানো যাবে না।’
মামলার এজাহারে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যেরোরও রয়েছেন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সরাফত আলী সপু, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার খাঁজা হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, ছাত্রদলের ঢাবি শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফকরুল ইসলাম রবিন, দক্ষিণের এস এম জিলানীসহ অনেকে।
বিএনপির অভিযোগ, জিয়ার খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনের ফার্স হোটেলের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল বের করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে মিছিলটি বিজয়নগরের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় পুলিশের হামলা ও লাঠিপেটায় যুবদল নেতা গোলাম মওলা শাহীন, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ওমর ফারুক কাউসার, সোহেলসহ পাঁচ-ছয় নেতাকর্মী আহত হন। পুলিশ মিছিল থেকে যুবদল নেতা শরীফসহ চারজনকে আটক করে নিয়ে যায়।