নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি পৌরসভা নির্বাচনে রবিবার বেলা ১১টার দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন। সোনাইমুড়ির ৬নং ওয়ার্ডের আলোকপাড়ার ভাঙ্গা পুলের পাশে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- বাহারকোট গ্রামের আবদুল হকের ছেলে মোহন (১৮), আমিরাবাদ গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে সালাউদ্দিন (২৭) ও উলুপাড়া গ্রামের স্বপনের ছেলে মনির (২২)।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শুনেছি কেন্দ্রের বাইরে বিচ্ছিন্নভাবে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় কয়েকজন আহত হয়ে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এদিকে দুপুর ১টার দিকে অনিয়মের অভিযোগে ৮নং ওয়ার্ডের কাঠালি মোহাম্মদিয়া হাফেজিয়া নূরানী তালিমুল কোরআন ও এতিমখানা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম জানান, মোহন নামে এক যুবক বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। এছাড়াও আরও দুইজন আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে সকাল ৮টা থেকে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি পৌরসভায় ৯টি ও চাটখিল পৌরসভায় ১০টিসহ মোট ১৯টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
চাটখিল পৌরসভার ভোটার সংখ্যা ২৪ হাজার ৯৩৬জন। সোনাইমুড়িতে ভোটার রয়েছেন ২৫ হাজার ২৩২ জন।
চাটখিল পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. নিজাম উদ্দিন, বিএনপি’র প্রার্থী মো¯তফা কামাল, জাতীয় পার্টিও ফজলুল হক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আরও ৩ জন সহ মোট ৬জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৮ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে সোনাইমুড়ি পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের ভিপি নূরুল হক, বিএনপির প্রার্থী মোতাহের হোসেন মানিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।