দেশের খামারিদের উৎপাদিত ব্রয়লার মুরগির মাংস, দুধ, ডিম ও মাছ ক্ষতিকর নয় বলে মনে করেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, ‘নতুন প্রজন্মকে মেধাবী ও সৃজনশীল করতে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম খাওয়ানো প্রয়োজন। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষ বিল গেটসও ফার্মের মুরগি খান, আর আমাদের দেশের মানুষ খায় না। বিজ্ঞানীরা সারা দেশ থেকে স্যাম্পল নিয়ে গবেষণা করবেন। তারা দেখবেন অ্যান্টিবায়োটিক যেটা থাকে সেটা শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কি না, ক্ষতিকর কি না।’
গতকাল বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৬ জন খামারিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা নগদ আর্থিক প্রণোদনা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারির সংখ্যা ৪ লাখ ৭ হাজার ৪০২ জন ও ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষির সংখ্যা ৭৮ হাজার ৭৪ জন। খামারিদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বা ব্যাংক হিসাবে তাৎক্ষণিক প্রণোদনার অর্থ দেওয়া হয়।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বলা হয় দুধের মধ্যে নানা ধরনের প্রিজারভেটিভ দেওয়া হয়, এটাও ঠিক নয়। আমি বিদেশ থেকে এটা পরীক্ষা করিয়ে এনেছি। পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে এগুলো সঠিক নয়। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো পুষ্টি জাতীয় খাবারের নিশ্চয়তা দেওয়া। পুষ্টিসম্মত খাবারের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই এ খাতে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।’