‘কুমিল্লা ইপিজেডের কেন্দ্রীয় তরল বর্জ্য পরিশোধনাগারটি রাসায়নিক এবং জৈবিক উভয় পদ্ধতিতে প্রতিদিন ১৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য পরিশোধন করার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে প্রতিদিন ৮ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য পরিশোধন করা হয়। ফলে কুমিল্লা ইপিজেডের বর্জ্যে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না।’ গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা উপিজেডের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের কুমিল্লা ইপিজেডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন বেপজা’র মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) নাজমা বিনতে আলমগীর।
কুমিল্লা জেলা ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে কুমিল্লা ইপিজেডের ভূমিকা সম্পর্কে সংবাদকর্মীদের অবহিতকরণের লক্ষ্যে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে বেপজা।
মহাব্যবস্থাপক জানান, কেন্দ্রীয় তরল বর্জ্য পরিশোধনাগারটি সঠিকভাবে দূষিত বর্জ্য পরিশোধন করছে কি না তা বেপজার কাউন্সিলর কাম ইন্সপেক্টরগণ (এনভায়রনমেন্ট) নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করছেন। এ ছাড়াও একাধিক সংস্থা এটি পর্যবেক্ষণ করে থাকে।