ইনিংসের শেষদিকে দারুণ এক ইনিংস খেললেন শামীম হোসেন। তার ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৩ রানে ভর করে আয়ারল্যান্ড উলভসের দেওয়া ২৬৪ রান তাড়া করে জিতল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। সুবাদে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।
রবিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ৪ উইকেটে জিতে নেয় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
প্রথম ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডের রুহান প্রিটোরিয়াসের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ায় ৩০ ওভার পরই ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়েছিল। ম্যাচ চলাকালে প্রিটোরিয়াসের করোনা রিপোর্ট পজিটিভের খবর আছে। ততক্ষণে প্রিটোরিয়াস ৪ ওভার বোলিংও করে ফেলেছেন।
দ্বিতীয় ম্যাচের আগে প্রিটোরিয়াসের ও দুই দলের সকলের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। ফলে প্রিটোরিয়াসকে নিয়েই একাদশ সাজায় আয়ারল্যান্ড।
টস জিতে প্রথমে বোলিং করতে নামে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ২৬৩ রান করে আয়ারল্যান্ড। দলটির পক্ষে ইনিংস শুরু করেন জেমস ম্যাককোলাম ও প্রিটোরিয়াস। ম্যাককোলাম ৪১ রানে থামলেও, হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন প্রিটোরিয়াস। শেষ পর্যন্ত ১২৫ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় খেলেন ৯০ রানের ইনিংস।
বাংলাদেশের সুমন খান ও রাকিবুল হাসান ২টি করে উইকেট নেন।
২৬৪ রানের জবাবে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার অধিনায়ক সাইফ হাসান ও তানজীদ হাসান। তবে দলীয় ৪৪ রানে আউট হন তানজীদ। ১৭ রান করেন তিনি। পরবর্তীতে ৩৬ রানে ফেরেন সাইফ।
তৃতীয় উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়েন মাহমুদুল হাসান জয় ও ইয়াসির আলি। ইয়াসির ৩১ রানে থামলেও, হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন জয়। ৯৫ বলে ৫টি চারে ৬৬ রান করেন তিনি।
ইয়াসিরের মতো ৩১ রান করেছেন তৌহিদ হৃদয়ও। উইকেটরক্ষক আকবর আলী খালি হাতে ফিরলে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
শেষ ৪ ওভারে ৪১ রানের প্রয়োজন পড়ে স্বাগতিকদের। তখন স্বীকৃত ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে ছিলেন শামীম। ২৪ বলে ২৩ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন তিনি। ঝোড়ো গতিতে রান তুলে শেষ ওভারে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন শামীম। ৯ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন সুমন খান।
৯ মার্চ একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।