ব্লাড ক্লট বা রক্ত জমাটবদ্ধতার ভয়ে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কভিড-১৯ ভ্যাকসিনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে থাইল্যান্ড। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাটিতে এমন হওয়ার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
ব্লাড ক্লট তখন ঘটে যখন রক্ত (যা সাধারণত প্রবাহমান তরল) অধিক ঘন ও আঠালো হয়ে যায়। কোনো ইনজুরি-জনিত রক্তক্ষরণ থামাতে রক্ত জমাটবদ্ধতার গুরুত্ব রয়েছে, কিন্তু অকারণ রক্ত জমাটবদ্ধতা ক্ষতিকর।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার এই টিকার কার্যক্রম উদ্বোধন করতে চেয়েছিলেন। সেটি এখন বন্ধ করা হল।
বিবিসি জানিয়েছে, ডেনমার্ক এবং নরওয়ে ব্লাড ক্লটের কথা বলে ভ্যাকসিনটির ব্যবহার স্থগিত করার পর থাইল্যান্ড এমন সিদ্ধান্ত নিল।
বাংলাদেশও এই টিকা ব্যবহার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ টিকাটি নিয়েছেন।
এর মধ্যে ৩০ জনের ব্লাড ক্লটের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে এমন নজির পাওয়া যায়নি।
ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি বলছে, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনে ব্লাড ক্লটের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভ্যাকসিনটি বরং এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, তাদের ট্রায়ালে সুরক্ষার বিষয়টি ব্যাপক পরিসরে গবেষণা করা হয়েছে।
থাইল্যান্ড সরকার বিবৃতিতে বলেছে, ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকা-অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ভালো হলেও কিছু দেশ কার্যক্রম পিছিয়ে দিয়েছে। আমরাও সেটি করছি।’
থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আবার বলছে, ইউরোপে যে ভ্যাকসিন গেছে তা এখান থেকে ভিন্ন। আর ব্লাড ক্লট এশিয়ানদের মধ্যে সাধারণত দেখা যায় না।