চাল আত্মসাৎ: নবীগঞ্জ চেয়ারম্যানের বরখাস্তের আদেশ বহাল

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২২৯ জন সুবিধাভোগীর চাল আত্মসাতের অভিযোগে গজনাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুলের বরখাস্তের আদেশ বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

সোমবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী শেখ শফিক মাহমুদ পুষ্প বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২২৯ সুবিধাভোগীর জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল আত্মসাতের দায়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়  ইউপি চেয়ারম্যান মুকুলকে বরখাস্ত  করে যে আদেশ দিয়ছে তা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে ইমদাদুর রহমান মুকুলের পক্ষে নবীগঞ্জ উপজেলার গজাইনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহালের আর কোনো সুযোগ রইল না।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালে বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ২২৯ সুবিধাভোগীর বরাদ্দকৃত সরকারি চাল আত্মসাতের দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান মুকুলকে গত ৭ জুলাই বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মুকুল রিট করলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরখাস্তের আদেশটি স্থগিত করেন হাইকোর্ট। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের আবেদন জানালে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত হাইকোটের্র আদেশ স্থগিত করেন। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ বিষয়ে শুনানি শেষে রোববার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরখাস্তের নির্দেশটি বহাল রাখার আদেশ দেয়া হয়। 

এদিকে চাল আত্মসাতের অভিযোগ সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায়  ২০২০ সালের ১৫ জুলাই নবীগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সর্বসস্মতিক্রমে ইমদাদুর রহমান মুকুলকে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

মুকুলের চাল আত্মসাৎ সংক্রান্ত সংবাদ দৈনিক দেশ রূপান্তরে গত ১৯জুন, ১৫ জুলাই ও ১৮ জুলাই প্রকাশিত হয়।