পাট ও পাটশিল্প বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের সঙ্গে পাটশিল্পের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। পাট পরিবেশবান্ধব। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ও লক্ষ্যকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র হিসেবে ২৫টি পাটকল বন্ধ করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ আয়োজিত ‘রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল-চিনিকল বিরাষ্ট্রীয়করণ নয়, চাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা।
সেমিনারে বক্তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটশিল্প ধ্বংসের জন্য শাসকগোষ্ঠীর রাজনীতি ও অর্থনীতির ছত্রছায়ায় দেশি-বিদেশি লুটেরা চক্র দায়ী। পাশাপাশি চিনিকল বন্ধের পাঁয়তারা চলছে। ইতিমধ্যে ৬টি চিনিকল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ পাট ও পাটশিল্পের যে অবদান রয়েছে, তার প্রকৃত বিচারে পাট ও পাটশিল্প কোনোভাবেই লোকসানি খাত হতে পারে না। সেমিনারে বক্তৃব্য দেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল্লাহ ক্বাফী রতন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আনছার আলী দুলাল, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য নজরুল ইসলাম, সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট এনায়েত আলী, বিএমএ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শেখ বাহারুল আলম, অধ্যাপক জাফর ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম মহসীন, নাগরিক নেতা এস এম শাহনেওয়াজ আলী প্রমুখ।