ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘যার যার ডোবা তারা নিজেরা পরিষ্কার করবেন, অন্যথায় যেখানেই ময়লা পাওয়া যাবে, সেখানেই মামলা দেওয়া হবে। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারি, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।’ গতকাল শনিবার ডিএনসিসি গুলশানস্থ নগর ভবনে সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরবর্তী মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র বলেন, আগামী শনিবারের মধ্যে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের ডোবা, জলাশয়, পরিত্যক্ত জমির তালিকা করে জমা দিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৩ এপ্রিলের মধ্যে সব ডোবা, জলাশয়, পরিত্যক্ত জায়গার মালিকদের নিজ নিজ ডোবা, জলাশয়, পরিত্যক্ত জমি পরিষ্কারের জন্য চিঠি দেওয়া হবে। যারা এ সময়ের মধ্যে পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হবেন তাদের বিরুদ্ধে ১০ এপ্রিলের পর থেকে গণহারে মামলা দেওয়া হবে।’
মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় ৮ থেকে ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম সম্পর্কে ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী, মশক নিধনকর্মী, পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টরা মতামত ব্যক্ত করেন। মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যত বেশি আত্মসমালোচনা করা যাবে, তত বেশি ঘাটতি কমানো যাবে। অভিযান চলাকালে আমি ১২শ মশক নিধনকর্মীর হাজিরা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা পাইনি। তাই প্রত্যেক মশক সুপারভাইজারকে তার নিজ নিজ ওয়ার্ডের মশক নিধনকর্মীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে।’